
রোববার গুলশানে ডিএনসিসির সেমিনার রুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সীমিত জনবল থাকা সত্ত্বেও মনিটরিং ব্যবস্থা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করেছে। মোটরসাইকেলে ঘুরে ঘুরে নিয়োগকৃত মনিটররা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন, যার ফলে চার মাসে পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে।
তবে প্রশাসক বলেন, মশার বংশবৃদ্ধি প্রায়ই ব্যক্তিগত বাড়ি, ছাদ বা রান্নাঘরের নিচে হয়, যেখানে সরকারি কর্মীদের প্রবেশাধিকার নেই। তাই শুধু কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। তিনি নাগরিকদের নিজ নিজ এলাকায় সচেতন হওয়ার গুরুত্বে জোর দেন এবং বলেন, ডেঙ্গু একটি জটিল সমস্যা যা সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।