
ঘূর্ণিঝড়টির গতিবেগ কেন্দ্রের কাছে ঘণ্টায় প্রায় ১৮৫ কিলোমিটার, যা কখনো কখনো ২৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে। ইতোমধ্যে পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে এক লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে কাতানদুয়ানেস দ্বীপ। সেখানকার ভিরাক শহরের বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, সমুদ্রের ঢেউ এতটাই প্রবল যে মনে হচ্ছে মাটি কেঁপে উঠছে। স্থানীয় উদ্ধারকর্মীরা জানাচ্ছেন, ঘরের ছাদ যাতে উড়ে না যায়, সেজন্য বাসিন্দারা ঐতিহ্যগতভাবে দড়ি দিয়ে ছাদ বেঁধে রাখছেন।
এদিকে লুজনের সোরসোগন শহর ও অরোরা প্রদেশে উদ্ধারকারী দলগুলো বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে বলছেন। টাইফুনের প্রভাবে ২০০ মিলিমিটার বা তার বেশি বৃষ্টি হতে পারে, যা ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
এর আগে, কয়েক সপ্তাহ আগেই টাইফুন কালমায়েগি ফিলিপাইনে তাণ্ডব চালিয়ে অন্তত ২০৪ জনের মৃত্যু ও ১০৯ জন নিখোঁজের ঘটনা ঘটায়।