জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছে। একই সঙ্গে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিও (এলডিপি) এই সমঝোতায় যোগ দিয়েছে। ফলে নির্বাচনী জোটে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা দাঁড়াল ১০টিতে।
রোববার বিকেলে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এর আগে আটটি দল একসঙ্গে ছিল। নতুন করে এনসিপি ও এলডিপি যুক্ত হওয়ায় জোট আরও সম্প্রসারিত হলো।
জামায়াতের আমির জানান, পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কয়েকটি দল এই জোটের সঙ্গে সমঝোতায় আগ্রহ প্রকাশ করলেও এই মুহূর্তে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না।
গণ-অভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) আসন সমঝোতার ভিত্তিতে সব আসনে একক প্রার্থী দেওয়ার আলোচনা শুরু করে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি এই জোটে যোগ দেয়।
জামায়াতসহ এই আটটি দল বিভিন্ন দাবিতে দীর্ঘদিন অভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে সক্রিয় ছিল। সর্বশেষ এনসিপি ও এলডিপি যুক্ত হওয়ায় নির্বাচনী সমঝোতার পরিধি আরও বিস্তৃত হলো।
