কোনো উপমাই যথেষ্ট নয়; মানুষের জন্য সংগ্রাম, জেল-জুলুম ও অবর্ণনীয় নির্যাতন সইয়ে বেগম খালেদা জিয়া হয়ে উঠেছিলেন কোটি মানুষের প্রিয় নেত্রী। তিনি যেন পুরো বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। মানুষের ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা নিয়ে বুধবার তিনি অনন্তের পথে যাত্রা করলেন।
খালেদা জিয়ার জানাজার ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ ছিল। জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং মানিক মিয়া এভিনিউ ছাড়িয়ে আশপাশের সব সড়ক ও অলিগলি মানুষে ভরে যায়। নারীদের জন্য জানাজায় অংশগ্রহণের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়।
জানাজার লাইন মূল ভেন্যুর সীমা ছাড়িয়ে পৌঁছে যায় কারওয়ান বাজার, আগারগাঁও, ধানমন্ডি ও বিজয় সরণি পর্যন্ত।
পরিবারের পক্ষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান বলেন, তিনি জীবিত থাকাকালীন কারো সঙ্গে কোনো ঋণ বা অসুবিধা থাকলে তা পরিশোধের ব্যবস্থা করবেন এবং যারা কোনো আঘাত পেয়েছেন, তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি সকলের কাছে মায়ের জন্য দোয়া চেয়ে নেন।
জানাজার সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং নির্বাচন বিশেষজ্ঞ বদিউল আলম মজুমদার।
সরকারপ্রধানের পাশে দাঁড়ান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।